মনোহরিনী পর্ব ২ | HelpBangla.com
image
Homeরোমান্টিক গল্পমনোহরিনী পর্ব ২
image

মনোহরিনী পর্ব ২

👰

মনোহরিনী

👰 পার্ট _২
written by:

Mehrima sabname odri



মেঘ ঃpromise
নীল ঃ promise.
এদিকে মেয়েটি দৌউড়ে বাসায় ডুকে ধপাস করে হলরুমের সোফায় শুয়ে পরলো। আচমকা কারো চিৎকারে ধড়মড়িয়ে উঠে বসলো, সামনে তাকাতেই দেখে মেয়েটির মা কোমরে দু হাত দিয়ে তার সামনে দাড়িয়ে আছে।
আম্মু ঃ আভনিইই কতোদিন বলেছি তোকে? বাড়ি থেকে একা একা কোথাও বেরুবি না, তুই ও কি আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দিবি না? কথা বল আভনি এতোক্ষণ কোথায় ছিলি তুই?
আভনি ঃ না আম্মু আমি তো ? বলতে গিয়ে থেমে যায় আভনি।
আম্মু ঃ তুই কি আভনি?
আভনি ঃ আম্মুই প্লিজ কি শুরু করে দিলা 😪ভালো লাগচ্ছে না আমার 😣আমি উপরে উপরে গেলাম। আম্মুকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই উপরে চলে আসলাম রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দিলাম। নয়তো আম্মুর সামনে থাকলে এখন হাজারটা প্রশ্ন করবে। ওকে একে এবার আমি আমার পরিচয়টা দিয়ে নেই 😊ওই যে এতোক্ষন যে আমায় শাসন করছিলেন ওইটা আমার আমার আম্মু মিসেস অানমনা রহমান আর আমি তার একমাএ কন্যা আভনি 😊 আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগে না? আমি কেনো শুধু মায়ের নাম টা কেনো বললাম ? বাবার মেয়ে কেনো বললাম না? আসলে এই পৃথিবীতে আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ মানুষটি হলো আমার বাবা যাকে আমি ঘৃনা করি ঘৃনা। যাই হোক ওই লোকটার কথা আমি বলতে চাই না সো আমি আমার টাই বলি 😊আমি এবার ইন্টার ফাস্ট ইয়ার রে ফাইনাল exam দিয়েছি। তাই এখন কলেজ অফ। বাসায় বসে থাকতে বোর লাগছিল তাই ভাবলাম আমার বেস্টি পিহুর সাথে দেখা করে আসি কিন্তু রাস্তায় যা ঘটলো তা তো আপনারা দেখলেন ই 😓বজ্জাত ছেলে কোথাকার 😡বজ্জাতটাকে বকতে বকতে হঠ্যাৎ হাতে থাকা কাগজটার কথা মনে পরে গেলো। তারাহুরো করে উঠতে গিয়ে আমার ওড়নার ভেতরে পেয়েছি, কি অসভ্য ছেলে রে বাবা 🤨চেনা নাই -জানা নাই? হঠাৎ এসে আমার গাঁয়ে পরে গেলো? আবার আমার ওড়নায় কি সব কাগজ রেখে যাওয়া 😠যাই হোক খুলেই দেখা যাক কি এটা 🤔এমাাাা😵😵😵কি এটা 😲এটা তো একটা লেটার 🙄তাও আবার লাভ লেটার 😱পরে দেখিতো 🤔

লাভ লেটার


শয়তান, বান্দর, ইডিয়ট, বেহায়া আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমি ও তোমাকে এতোদিন ধরে ফলো করেছি বাট মনের কথাটা বলতে পারিনি, কিন্তু আজ বলছি bz আজকে তুমি সাহসটা জুগিয়ে দিয়েছো সো আজ বলছি অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে অনেক।
চিঠির এতোটুকু পড়তেই আভনির শরীরে যেনো এক অজানা শীতল স্রোত বয়ে যাচ্ছে। আভনির নিশ্বাস যানো মূহুর্তেই ঘনো হয়ে আসছে, আভনি কিছুক্ষন চোঁখ বন্ধ করে থেকে চিঠিটা আবার পড়তে শুরু করলো।
আমি তোমাকে প্রথম দেখেই তোমার প্রথম প্রেমে পরে গেছি। তোমার মিস্টি মুখের হাসি আর আমার দুস্টমি দিয়েই আমি আমার সারাটা জিবন পার করে দিতে চাই ভালোবাসি অনেক ভালোবাসি তোমায়।
আভনি চিঠিটা যতই পরছে তোতই অভাক হচ্ছে, কি সব বলছে ছেলেটা আভনি তো কখনো একে এর আগে দেখেনি তো ছেলেটা কি ওকে লুকিয়ে ফলো করে? এসব ভাবতে ভাবতে আবার চিঠিতে মনোযোগ দিলো বাট চিঠিতে এমন কিছুর আশা করিনি আভনি। চিঠিটা হাত থেকে পরে গেলো আভনির। আপনি ধপকরে দাঁড়ানো থেকে মাথা ধরে বসে পরলো।

চিটিতে বাকি অংশে যা লিখা ছিলো

👇
যাই হোক অনেক ভালোবাসি তোমাকে আর হ্যা আজকে সন্ধ্যায় নদীর পাড়ে লেক বিউ ক্যাফে এই ঠিকানায় চলে এসো। আমি তোমার জন্যে অপেক্ষা করবো। আর যদি না আসো তাহলে তোমার ওইদিনের পিকগুলা এখনো কিন্তু আছে আমার কাছে। ওইদিনের কথা মনে আছে তো? তুমি একটা থ্রি কোয়াটার প্যান্ট আর খালি গায়ে এলোমেলো চুলে বাচ্চাদের মতো করে ঠোঁট উল্টে বসে ছিলে আর আমি তা দেখে দূর থেকে লুকিয়ে কতোগুলা পিক তুলে ছিলাম। হিহিহি
সো তুমি ঠিক সময়ে ক্যাফে চলে আসবা নয়তো তোমার পিকগুলা সব ভাইরাল করে দিবো আমি এই বলে রাখলাম।
ইতি তোমার পিয়ারি পিয়ারি জানটুস 😘।
চিঠিটার শেষের কথাগুলো ভেবে এখনো থরথরিয়ে কাপচ্ছে আভনি। কি পড়লো সে? তার মানে এতোদিন ধরে আভনিকে লুকিয়ে এইভাবে ফলো করে আসছে ছেলেটা। আর খালি গায়ের পিক মানে? আভনি পাগলের মতো আচরন করচ্ছে।
আভনি ঃ না নাাাা এভাবে সব শেষ হয়ে যেতে পারে না । আমাকে খালি গায়ে দেখেছে মানে কি? আবার লুকিয়ে লুকিয়ে ছবি তুলেছে আমার? আবার দেখা না করলে আমার পিক ভাইরাল করে দিবে? না না এ হতে পারে না। 😭
এভাবে তো আমার সব শেষ হয়ে যেতে পারে না। 😭what the hell U. 😠
হ্যা আমি ক্যাফে যাবো তবে দেখা করতে নয় এগুলার হিসেব মিটাতে যাবো আমি 😠এই ছেলেকে তো আমি ছারবো না, একে আমি পুলিশে দেবো। চিঠিটা আকড়ে ধরে মুখ ঢেকে কান্না করছে আভনি। যেভাবে হোক আভনিকে লেক ভিউ ক্যাফে যেতেই হবে নয়তো আভনির পিক ভাইরাল করে দিবে অমানুষটা।
এদিকে নীল এক হাত দিয়ে মুখ ডেকে শুয়ে শুয়ে তার মনোহরিনীর কথা ভাবছে 😌কিভাবে তার মনোহরিনী কে খুঁজে পাবে নীল। শুধু একবার just একবার তার মনোহরিনীকে দেখতে চায়। শুধু একবার নীল তার মনোহরিনী কে কাছে পেতে চায় , তাহলে একবারের জন্য হলেও কোথাও যেতে দেবে না তার মনোহরিনী কে। 😌নীলের এই ছোট্ট বুকে সারাজীবনের জন্যে বন্ধি করে রেখে দিবে সে তার মনোহরিনী কে। সারাজীবন নীলের হৃদমাঝারে আগলে রাখবে তার মায়াবতী কে। 😊
এদিকে মিহুর আজ সবচেয়ে খুশির দিন 😇কেননা আজকে এতোদিনের মনের আশা পূরন হবে মিহুর। মিহু মেঘকে কতোটা ভালোবাসাে? হুম আজ মিহু সবটা দিয়ে মেঘকে প্রপোজ করবে। সবটা দিয়ে বলবে ভালোবাসি মেঘ। আচ্ছা মেঘ চিঠিটা পরেছে তো? মেঘের ফোন নাম্বারটা ও তো জানিনা 🤔যাই হোক চিঠিটা পড়ে নিশ্চয়ই ছুটে আসবে এখানে 😊
মিহু পুরুটা ক্যাফ ছোট বড় ফুল আর নানা রংয়ের লাইটিং দিয়ে সাজিয়ে রেখেছে নীলকে মেঘকে প্রপোজ করার জন্যে। সন্ধ্যা হয়ে আসছে কিন্তু মেঘের কোনো দেখা নাই। 😪এদিকে আভনি বাসায় না বলেই বের হয়েছে ক্যাফের উদ্দেশ্যে। কেননা আম্মুকে বললে কখনোই বেরুতে দেবে না তাই আম্মুকে না বলেই বের হয়েছে। যা হবার হবে 😪আগে ক্যাফে যেতে হবে আভনিকে 😫
মনের মধ্যে হাজার ও ভয় আর জড়তা নিয়ে অবশেষে ক্যাফে পৌছালো আভনি।আভনি আলতো করে ভেতরে পা রাখলো, চারদিকে আলো জ্বলজ্বল করছে। হয়তো ক্যাফটাকে খুব স্পেশালভাবে সাজিয়ে রেখেছে আজকে। কেননা আভনি এর আগেও পিহুর সাথে এসেছিলো একদিন।
তখন এতোটা সুন্দর ছিলোনা । চারপাশের বেঞ্চগুলোতে এক একটা কাপল বসে গল্প করছে। এ মূহুর্তে আভনিকে বড্ড বেমানান লাগছে এখানে আভনির। হঠাৎ আভনির চোখে আটকে যায় সামনে তাকাতে 😵,
আভনি সামনে তাকাতেই চমকে যায় আভনির ক্লাসমেট মিহুকে দেখে। মিহু খুব সুন্দর করে সেজেগুজে হাতে এওোগুলা গোলাপ নিয়ে রাজকন্যার মতো দাঁড়িয়ে আছে। দেখে তো মনে হচ্ছে কারো জন্যে অপেক্ষা করছে। আভনি আর মিহু একই ডিপার্টমেন্টের হলেও মিহুুর সাথে তেমন কথা হয়না আভনির।
যাইহোক অপরিচিতদের ভীড়ে এই অসময়ে আভনির চেনা যে কেউ আছে এটা ভেবেই আভনির চোঁখ জ্বলমলিয়ে উঠলো।
আভনি আর এগুলো নিয়ে সময় নষ্ট না করে, নীল কে খুঁজতে লাগলো। নীলের চেহারা টা স্পষ্ট মনে আছে আভনির তাই চিনতে কোনো অসুবিধে হবে না। কিন্তু এখানের কোথাও তো নীল নেই 😥আভনি পুরোটা জায়গা ঘুরে দেখলো নীল কোথাও নেই। তাহলে নীলের মনে আবার অন্য কোনো প্লান নেই তো?
নাকি নীল মিথ্যা বলেছে আভনিকে? নাকি আভনির সম্মানের শেষ রক্ষা করেনি নীল? আভনি ধুম করে নীচে দু হাটু গেড়ে বসে পরলো। নীলকে না পেয়ে অঝোর ধারায় জল বইছে তার চোঁখে। দু হাত দিয়ে মুখ চেপে নিশব্দে চোখের জ্বল ফেলছে।
রাত হয়ে গেছে মিহু এখনো মেঘের জন্যে অপেক্ষা করছে। কিন্তু মেঘের আসার কোনো আভ্যাস নাই 😞 মিহুর এবার সত্যিই খুব রাগ হচ্ছে নিজের উপর সেই সাথে মেঘের উপর ও খুব অভিমান করেছে মেয়েটা। 😓
মিহু এবার হাতে হাতা গোলাপ গুলো জোরে ছুরে মারতেই কান্না করে দিলো। চারদিকে বসে থাকা কাঁপল গুলো মিহুর এমন কান্ডে হকচকিয়ে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে।
মিহু কান্না করে দৌউড়ে আসতেই হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো……..
To be continue
সবাই লাইক কমেন্ট না করলে গল্প লিখতে ইচ্ছে করে না😓
3 months ago (May 26, 2019) 420 Views
Report

About Author (11)

Author

I'm student, i read in cls 11 of kalatiaUniversity college . Group of science. & i love to written for story.

image

1 responses to “মনোহরিনী পর্ব ২”

  1. Bissoy Raju (author)

    wow

Related Posts

click for Home page



Fb page image